যুবলীগ থেকে বহিষ্কার কাউন্সিলর রাজীব

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীবকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীবকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রোববার যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। রাজীব ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

এ দিকে ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা যুবলীগের এক নেতা বলেন, এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। যেহেতু সিদ্ধান্ত কেউ আটক হলেই বহিষ্কার সেহেতু বহিষ্কার হতে পারে।

অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িত থাকা এবং চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও অবৈধভাবে বিপুল বিত্ত বৈভবের মালিক হওয়ার অভিযোগে শনিবার (১৯ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

তাকে গ্রেফতারের পর র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল সারোয়ার বিন কাশেম জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কাউন্সিলর রাজীবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো হলো সন্ত্রাসবাদ, চাঁদাবাজি এবং দখলদারিত্ব।

টং দোকানদার থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া রাজীবের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ, চন্দ্রিমা হাউজিং, সাত মসজিদ হাউজিং, ঢাকা উদ্যানসহ বিভিন্ন এলাকায় দখলবাজি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রবাসীদের বাসাসহ এলাকার অনেকের জমি দখলের অভিযোগও রয়েছে। সাবেক একজন প্রতিমন্ত্রীর হাত ধরে রাজনীতিতে হাতেখড়ি হওয়া রাজীব ২০১৪ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাউন্সিলর পদে জয়লাভ করেন। এরপর থেকেই মূলত ভাগ্য আরও খুলে যায় তার।

রোববার যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। রাজীব ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

এ দিকে ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা যুবলীগের এক নেতা বলেন, এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। যেহেতু সিদ্ধান্ত কেউ আটক হলেই বহিষ্কার সেহেতু বহিষ্কার হতে পারে।

অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িত থাকা এবং চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও অবৈধভাবে বিপুল বিত্ত বৈভবের মালিক হওয়ার অভিযোগে শনিবার (১৯ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

তাকে গ্রেফতারের পর র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল সারোয়ার বিন কাশেম জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কাউন্সিলর রাজীবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো হলো সন্ত্রাসবাদ, চাঁদাবাজি এবং দখলদারিত্ব।

টং দোকানদার থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া রাজীবের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ, চন্দ্রিমা হাউজিং, সাত মসজিদ হাউজিং, ঢাকা উদ্যানসহ বিভিন্ন এলাকায় দখলবাজি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রবাসীদের বাসাসহ এলাকার অনেকের জমি দখলের অভিযোগও রয়েছে। সাবেক একজন প্রতিমন্ত্রীর হাত ধরে রাজনীতিতে হাতেখড়ি হওয়া রাজীব ২০১৪ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাউন্সিলর পদে জয়লাভ করেন। এরপর থেকেই মূলত ভাগ্য আরও খুলে যায় তার।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফেসবুকে আমরা

পুরানো সংবাদ
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১