*শৃঙ্খলা ও পেশাগত আচ’রণ ভ’ঙ্গ এবং গু’রুতর অস’দাচারণের দায়ে আন্তর্জাতিক অপ’রাধ ট্রাইব্যু’নালের প্রসি’কিউটরের প’দ থেকে তুরিন আফরোজকে অপ’সারণ করা হয়েছে।*
*অপসা’রণের বিষয়ে তুরিন আফরোজ বলেছেন, শুনেছি আমাকে অপ’সারণ করে আ’ইন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞা’পন জা’রি করা হয়েছে। আমি শুধুই এইটুকু বলবো, আমি ট্রাইব্যু’নালে থাকাকালে শতভাগ দায়িত্ব পালন করেছি। আমার জানা মতে বিশ্বাস ভ’ঙ্গে মতো এমন কোনো কিছুই করিনি।*
*তিনি বলেন, কারো বিরু’দ্ধে কোনো অভি’যোগ উঠলে তাকে আত্মপক্ষ সম’র্থনের সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু আমাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ না দিয়েই অপসা’রণ করা হয়েছে।*
*এ বিষয়ে আই’নগত কোনো পদ’ক্ষেপ নেবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে জানাবো। মোবাইল ফোনে এই প্র’তিক্রিয়া জানানোর সময় আবে’গপ্রবণ হয়ে কেঁ’দে ফেলেন তিনি। এরচেয়ে বেশি কিছু তিনি বলতে পারেননি।*
*এদিকে তুরিন আফরোজের বি’রুদ্ধে রাষ্ট্র বিরো’ধিতার অভি’যোগ এনেছেন ট্রাইব্যু’নালের আরেক প্রসিকি’উটর জি’য়াদ আ’ল মা’লুম। তিনি বলেছেন, শুধুই পেশাগত অস’দাচরণ নয়, তিনি ফৌজ’দারি অপ’রাধও করেছেন। তার কর্ম’কাণ্ড রাষ্ট্রবিরো’ধিতার সা’মিল। কারণ আন্তর্জাতিক অপ’রাধ ট্রাই’ব্যুনালের বিচার কার্যক্রম রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত স্প’র্শকাতর বিষয়। তাই তার বি’রুদ্ধে রাষ্ট্র শাস্তি’মূলক ব্য’বস্থা নেবে বলে প্রত্যাশা করি।*
*ওয়াহিদুল হকের বিরু’দ্ধে অভি’যোগের ত’দন্তকালে ট্রা’ইব্যুনালের প্রসি’কিউটর ব্যা’রিস্টার তুরিন আফরোজের বি’রুদ্ধে ওয়াহিদুল হকের কাছ থেকে ঘু’ষ নেওয়ার অভি’যোগ ওঠে। ২০১৭ সালের ১৯ নভেম্বর ওয়াহিদুল হকের সঙ্গে গুলশানে একটি রে’স্তোরাঁয় ওয়াদিুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেন ব্যারি’স্টার তুরিন আফরোজ। এই বৈঠক থেকে তুরিন আফরোজ তাকে পা’লিয়ে যেতে বলেন বলে অ’ভিযোগ ওঠে। এ অভি’যোগের বিষয়ে আ’ইন মন্ত্রণালয় ত’দন্ত করে। এই অভি’যোগ ওঠার পর তাকে ট্রা’ইব্যুনালের মা’মলা দেখভালের দা’য়িত্ব থেকে অব্যা’হতি দেওয়া হয়। এরপর অভি’যোগটি তদ’ন্তের জন্য তুরিন আফরোজ ও ওয়াহিদুল হকের কথো’পকথনের সি’ডিসহ আইন মন্ত্রণালয়ে ন’থি পাঠান চি’ফ প্রসিকি’উটর গোলাম আরিফ টিপু।*
*ওয়াহিদুল হকের বি’রুদ্ধে ২০১৬ সালের ৫ ডিসেম্বর তদ’ন্ত শুরু করেন ট্রা’ইব্যুনালের তদ’ন্ত সং’স্থার কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান। তদ’ন্ত সম্প’ন্ন করে ওইবছরের ৩০ অক্টোবর ত’দন্ত প্রতি’বেদন দা’খিল করা হয়। এই ত’দন্তের ভিত্তিতে গত বছর ২৪ এপ্রিল ওয়াহিদুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই বছরের ৭ মে এক আদেশে তুরিন আফরোজকে ওয়াহিদুল হকের মা’মলা থেকে অব্যা’হতি দেওয়া হয়।*
*এদিকে, গত ১৬ অক্টোবর ট্রাইব্যু’নালে ওয়াহিদুল হকের বি’রুদ্ধে রংপুর সে’নানিবাস সংলগ্ন এলাকায় ৫/৬শ নির’স্ত্র মানুষকে হ’ত্যা, বাড়িঘরে আ’গুন ও পে’ট্রোল দিয়ে নি’হতদের ম’রদেহ পু’ড়িয়ে ফেলাসহ মানবতাবিরো’ধী অপ’রাধে অ’ভিযোগ গঠন করার মধ্যে দিয়ে তার বিচা’র শুরু হয়। আগামী ২৪ নভেম্বর সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধা’র্য রয়েছে।*














